মেনু নির্বাচন করুন

নো মাস্ক নো সার্ভিস। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এখনই ডাউনলোড করুন Corona Tracer BD অ্যাপ। ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন https://bit.ly/coronatracerbd। নিজে সুরক্ষিত থাকুন অন্যকেও নিরাপদ রাখুন। দেশের প্রথম ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম 'একদেশ'- এর মাধ্যমে আর্থিক অনুদান পৌঁছে দিন নির্বাচিত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে। ভিজিট করুন ekdesh.ekpay.gov.bd অথবা “Ek Desh” অ্যাপ ডাউনলোড করুন। করোনার লক্ষণ দেখা দিলে গোপন না করে ডাক্তারের পরামর্শের জন্য ফ্রি কল করুন ৩৩৩ ও ১৬২৬৩ নম্বরে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নিয়ম মেনে মাস্ক ব্যবহার করুন। আতঙ্কিত না হয়ে বরং সচেতন থাকুন। ভিজিট করুন corona.gov.bd

নোটিশ বোর্ড

আমাদের সম্পর্কে

প্রাচীন গৌরবময় ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের লীলাভূমি বাংলাদেশ। এর বিস্তৃতি অঞ্চল বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ। সোনারগাঁও বাংলার ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল প্রাচীন জনপদ। প্রায় তিনশত বছর সোনারগাঁও প্রাচীন বাংলার রাজধানী ছিল। সুলতানী আমলের পটভুমিতে আমাদের সোনালি ঐতিহ্যের দিকে পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখতে বেছে নেয়া হয়েছিল সোনারগাঁকে। মুঘল সুবেদার ইসলাম খানের সময়ে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ার পর সোনারগাঁয়ের গুরুত্ব ম্লান হয়ে যায়। তথাপি সোনারগাঁও আমাদেরকে নিয়ে যায় সোনালি অতীতের কাছে। ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ে অতীত স্মৃতিকে সামনে রেখেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরামর্শ এবং আর্থিক সাহায্যে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় গৌরবদীপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যা সোনারগাঁও জাদুঘর নামেও পরিচিত। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী লোক ও কারুশিল্পের সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও পুনরুজ্জীবন করার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ সরকার এক প্রজ্ঞাপন বলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে।

পরিদর্শন সময়সূচি ও প্রবেশ ফি

 

 

 

শিক্ষা সফরে আগত স্কুল/কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধান গেইট প্রবেশ ফি: ৩০ টাকা (প্রতিজন)

(শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে ফাউন্ডেশনের পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের পরিধেয় ইউনিফর্ম থাকতে হবে)

 

হেল্পডেস্ক: ০৯৬০৪ ০০০ ৭৭৭

 


আমাদের অবস্থান

 

অবস্থান: নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায়। রাজধানী ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার পূর্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার অভ্যন্তরে অবস্থিত। ঢাকা থেকে মাত্র ১ ঘন্টার দুরত্ব।